করোনা ভাইরাস কি? বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন

করোনাভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন করোনা থেকে নেওয়া হয়েছে, যার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মুকুট। এটি নিদুভাইরাস শ্রেণীর করোনাভাইরদা পর্বের অন্তর্গত।
আমরা যদি ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এই ভাইরাসটি কে পর্যবেক্ষণ করি তাহলে এটি অনেকটা মুকুটের মতো দেখাবে। নিজস্ব আরএনএ দিয়ে গঠিত জিনোম সহ এই ভাইরাসটি সর্বপ্রথম প্রাণী দেহ থেকে মানব দেহে প্রবেশ করেছিল।
ভাইরাসটির জিনোমের আকার ২৬ থেকে ৩২ কিলো বেস। করোনা ভাইরাসের চার ধরনের প্রোটিন দেখা যায়। সেগুলো হচ্ছে স্পাইক, এনভেলপ, মেমব্রেন এবং নিউক্লিওক্যাপসিড।

১৯৬০ সালে মুরগির ব্রংকাইটিস ভাইরাস হিসেবে করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম দেখা যায়। পরবর্তীতে সর্দি, হাঁচি, কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস এর দেখা মেলে।

এরপর ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায়, যার সর্বশেষ প্রজাতিটি আবিষ্কৃত হয় ২০১৯ সালে চীনে; যা করোনা ভাইরাস নামে আখ্যায়িত।এই প্রজাতির ভাইরাসের কারণে মানবদেহের শ্বাসকষ্টের গুরুতর সংক্রমণ দেখা যায়।
করোনা ভাইরাস এর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে রোগীর জ্বর, শুষ্ক কাশি, বমি, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা হতে পারে, শরীরে অবসাদ দেখা দিতে পারে এবং অঙ্গ বিকল হতে পারে।
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সকল উপসর্গ থাকলে ও জ্বর থাকে না। আবার মানুষের সাধারণ নিয়মেও জ্বর হতে পারে যেটা একদম স্বাভাবিক। তাই এ কারণে উত্তেজিত হওয়া ঠিক না।

৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৯ সালে চীনের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ প্রজাতি “নোবেল করোনাভাইরাস” দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসটিকে “২০১৯ এনসিওভি” নামকরণ করে।

১৩ ই মার্চ ২০২০ পর্যন্ত চীনের সাথে ১২১ টির ও বেশি দেশ ও অঞ্চলে এই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। যাতে ৫০০০ জনের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। সারাবিশ্বে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ১৬৬ জন রোগী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং ৭০ হাজার ৩৯৫ জন চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠেছে।
করোনা ভাইরাসের এই প্রজাতিটি সাপ থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু কিছু গবেষক এটার বিরোধিতা করেছেন।

সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। এই পোস্টটি নিয়মিত আপডেট করা হবে এবং করোনাভাইরাস সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যাদি সংযোজন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

Aponex
A man who loves to work with technology & always tries to make others happy by helping them in their needs 💕💕